খুঁজুন
সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন, ১৪৩২

কি থাকছে??বাজেট ২০২৫-২৬ এ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ মে, ২০২৫, ৭:৩৪ এএম
কি থাকছে??বাজেট ২০২৫-২৬ এ

অর্থনীতিতে স্বচ্ছতা আনা এবং বিনিয়োগ ও ব্যবসার উপযোগী পরিবেশ তৈরির কয়েকটি কৌশলও থাকছে এতে। এবারের বাজেটের লক্ষ্য হচ্ছে মূল্যস্ফীতি কমানো এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটানো। বাজেটে ব্যক্তি করমুক্ত আয়সীমা ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

 

জানা গেছে, সব কিছু ঠিক থাকলে অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ আগামী ২ জুন টেলিভিশনে নতুন অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করবেন। পরে তা উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে পাস হবে। নির্বাচিত সরকারের ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদে বাজেট প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী। এক্ষেত্রে সংসদ না থাকায় অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বাজেট উপস্থাপন করবেন টেলিভিশনের পর্দায়। রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের মাধ্যমে এ বাজেট ঘোষণা করা হবে। সর্বশেষ ২০০৭-০৮ সালে টেলিভিশনে ভাষণের মাধ্যমে দুইটি বাজেট ঘোষণা করেছিলেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম।

 

সূত্র জানিয়েছে, উন্নয়নের জন্য রাজস্ব অপরিহার্য মনে করে বর্তমান সরকার। তাই রাজস্ব বাড়ানোর কৌশল হিসেবে এ বছরের জাতীয় বাজেটে যৌক্তিকভাবে কর বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। দেশের উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে রাজস্ব আদায় বাড়ানো এখন জরুরি হয়ে পড়েছে বলে মনে করে সরকার। রাজস্ব বাড়ানোর জন্য সরকারের ওপর ব্যাপক চাপ রয়েছে বিধায় রাজস্ব সংগ্রহ বাড়ানোর জন্যই এটি করা হচ্ছে। সরকার মনে করে কাঙ্ক্ষিত রাজস্ব সংগ্রহ করতে না পারলে অগ্রগতি নিশ্চিত ব্যর্থ হবে।

জানা গেছে, নতুন বাজেটে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হবে। মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৬ শতাংশে নামিয়ে আনার ঘোষণা থাকতে পারে নতুন বাজেটে। চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মতো আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরেও বাজেট ঘাটতি মোট দেশজ উৎপাদনের ৫ শতাংশের নিচে রাখা হবে। বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) বলছে, চলতি অর্থবছরের জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশের নিচে থাকবে। তারপরও আগামী অর্থবছরের জিডিপির প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরা হচ্ছে ৫.৫ শতাংশ। চলতি র্অবছরের জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য কিছুটা কমিয়ে এরইমধ্যে ৫.২৫ শতাংশ করা হয়েছে।

 

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) পাঁচ লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য দেওয়া হতে পারে, যা চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে রয়েছে চার লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা। তবে প্রত্যাশা অনুযায়ী কর আদায় না হওয়ায় চলতি অর্থবছরে রাজস্বের লক্ষ্য কমিয়ে চার লাখ ৬৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা করা হয়েছে।

 

এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) রাজস্ব আদায় হয়েছে দুই লাখ ২১ হাজার ৮১৭ টাকা, কিন্তু আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল দুই লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা। রাজস্ব ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৫৮ হাজার কোটি টাকা, অর্থাৎ ২১ শতাংশ।

 

জানা গেছে, চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছর গত ৬ মাসে এডিপি খাতে খরচ হয়েছে মাত্র ৪০ হাজার কোটি টাকা। বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) বরাদ্দ করা হয়েছে ২ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা। নভেম্বর পর্যন্ত ৫ মাসে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আদায় করতে পেরেছে ১ লাখ ৫৯ হাজার ১৫ কোটি টাকা। অথচ এ বছর ৪ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে। রাজস্ব আদায় বাড়াতেই গত ৯ জানুয়ারি শতাধিক পণ্য ও সেবায় ভ্যাট-শুল্ক বাড়িয়েছে সরকার।

 

সূত্র জানিয়েছে, জুলাই অভ্যুত্থানের পর দায়িত্ব নেওয়া অন্তর্বর্তী সরকারের এটি হবে প্রথম বাজেট। আকার হতে পারে ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা। প্রতি অর্থবছরের জুন মাসের কোনও বৃহস্পতিবারকে বাজেট ঘোষণার জন্য বেছে নেওয়া হয়। এবারই তার ব্যতিক্রম হচ্ছে। তবে বাজেট ঘোষণার পর দিন রেওয়াজ অনুযায়ী অন্য উপদেষ্টাদের সঙ্গে নিয়ে বাজেট-উত্তর সংবাদ সম্মেলন করবেন অর্থ উপদেষ্টা। পরে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে বাজেট পাস হবে।

 

এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান জানিয়েছেন, দেশে নিবন্ধিত ১ কোটি ৪৫ লাখ করদাতার মধ্যে প্রকৃত কর প্রদান করেন মাত্র ৪৫ লাখ জন, যার মধ্যে ৩০ লাখ করদাতা শূন্য রিটার্নধারী। কর ব্যবস্থায় ডিজিটাল অগ্রগতি হচ্ছে। গত বছর অনলাইনে ৪ লাখ রিটার্ন জমা পড়লেও এবার তা ১৫ লাখে পৌঁছেছে।

 

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘নানা কারণে আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের নতুন বাজেট ছোট করতে হচ্ছে। নতুন করে বড় কোনও প্রকল্প নেওয়া হবে না। যেসব বড় প্রকল্প আছে সেগুলোতে অর্থায়ন চলবে, তবে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার ছোট হবে।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘আসছে বাজেটে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে এনে কর্মসংস্থান বাড়ানো বড় চ্যালেঞ্জ হবে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট সংক্ষিপ্ত আকারে ৫০-৬০ পৃষ্ঠার বক্তব্যে হবে। আসছে অর্থবছরে ব্যবসাবান্ধব কর ব্যবস্থাপনার চেষ্টা থাকবে। সরকার বাস্তবায়নযোগ্য বাজেট করতে চায়। যেখানে পরবর্তী সরকারের জন্য একটা ফুট প্রিন্ট রেখে যেতে চাই। সরকার মুখরোচক কিছু করতে চায় না।’

 

অর্থ উপদেষ্টা জানিয়েছেন, বাজেট বাস্তবায়ন না হলে অর্থবছর শেষে সমালোচনা করা যাবে।

 

উল্লেখ্য, চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার মূল বাজেট ঘোষণা করেছিলেন শেখ হাসিনা সরকারের অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। পরে তা সংশোধন করে সাড়ে ৭ লাখ কোটি টাকার মধ্যে সীমিত রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর আগে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটের আকার ছিল ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকার। সংশোধিত বাজেটে তা কমিয়ে ৭ লাখ ১৪ হাজার ৪১৮ কোটি টাকা করা হয়েছিল।

বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনে প্রধান উপদেষ্টা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩২ এএম
বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনে প্রধান উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস গণভবনে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে তিনি জাদুঘরে পৌঁছান এবং জাদুঘরে থাকা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পেছনের ইতিহাস ও শেখ হাসিনার ১৬ বছরের দুঃশাসনের চিত্রগুলো ঘুরে দেখেন প্রধান উপদেষ্টা।

 

এ সময় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উপদেষ্টাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার এসডিজি সমন্বয়ক লামিয়া মোর্শেদ, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম।

 

গুমের শিকার পরিবারেরগুলোর সংগঠন মায়ের ডাকের সমন্বয়ক সানজিদা তুলি ও গুম থেকে ফেরত ভিকটিম ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান, জুলাই অভ্যুত্থানে সম্মুখসারীতে নেতৃত্ব দেয়া ছাত্রনেতা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও হাসনাত আব্দুল্লাহ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

 

সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর নেতৃত্বে জাদুঘরের কিউরেটর তানজীম ওয়াহাব, মেরিনা তাবাসসুম খান, জুলাই জাদুঘরের গবেষকসহ দায়িত্বশীল অন্যান্যরা আগতদের পুরো জাদুঘর ঘুরিয়ে দেখান। জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে অভ্যুত্থানের ছবি, বিভিন্ন স্মৃতিচিহ্ন, শহিদদের পোশাক, চিঠিপত্র, গুরুত্বপূর্ণ দলিল, সে সময়কার পত্রিকার কাটিং, অডিও-ভিডিওসহ নানা উপকরণ সংরক্ষণ করা হয়েছে। এছাড়া, শেখ হাসিনার পালিয়ে যাওয়ার দৃশ্যও সংরক্ষিত রয়েছে সেখানে।

 

জাদুঘরে পরিদর্শনে ড. ইউনূস ১৫ মিনিটের একটি প্রামাণ্যচিত্র দেখেন, যেখানে ফ্যাসিস্ট শাসনামলে গুম, রাষ্ট্রীয়ভাবে পরিচালিত দমন-পীড়ন, বিরোধীদের ওপর হামলা এবং চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত গণহত্যার চিত্র তুলে ধরা হয়। প্রামাণ্যচিত্রটি নির্মাণ করেছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

 

 

পরিদর্শনকালে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এই জাদুঘর জুলাই শহিদদের রক্ত তাজা থাকতেই করা সম্ভব হয়েছে, এটা গোটা পৃথিবীর এক নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত। আমরা চাইনা ভবিষ্যতে কোথাও যেন আর এমন জাদুঘর তৈরির প্রয়োজন হোক। যদি আমাদের জাতি কখনো কোনো কারণে দিশেহারা হয় তবে এই জাদুঘরে পথ খুঁজে পাবে।’

 

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘দেশের প্রতিটি নাগরিকের উচিত হবে এখানে এসে একটি দিন কাটানো, শিক্ষার্থীরা দল বেঁধে এই জাদুঘরে আসবেন। এই জাদুঘরে একটা দিন কাটালে মানুষ জানতে পারবে কী নৃশংসতার মধ্য দিয়ে এ জাতিকে যেতে হয়েছে। এখানে যে আয়নাঘরগুলো তৈরি হয়েছে সেখানে কিছু সময়, কয়েক ঘণ্টা অথবা একটা দিন কেউ যদি থাকতে চায় সে যেন থাকতে পারে।’

 

আরও পড়ুন: বিপুল অর্থ খরচ করে স্বপ্নভঙ্গ, নারীসহ ৩৬ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠালো যুক্তরাষ্ট্র

 

তিনি আরও বলেন, ‘আয়নাঘরে বসে পরিদর্শনকারীরা উপলব্ধি করতে পারে কী নৃশংসতার মধ্যে বন্দিরা ছিল! এ ধরনের নৃশংস ঘটনা না হওয়ার পক্ষে কীভাবে আমরা সবাই এক থাকতে পারি সেটা মনের মধ্যে আনতে হবে। এই একটা মতে আমরা সবাই এক থাকব যে এই ধরনের নৃশংস দিনগুলোতে এ জাতি আর ফিরে যাবে না।’

 

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে তরুণ ছাত্র ও জনতার বীরত্বও তুলে ধরেন ড. মোহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, ‘নৃশংস একটা কাণ্ড হচ্ছিল। তরুণরা, ছাত্ররা এটার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে, প্রতিহত করেছে। তাদের কোনো অস্ত্রশস্ত্র ছিল না, কিছু ছিল না। সাধারণ মানুষও যে এমন নির্ভয়ে, সাহসিকতার সঙ্গে অস্ত্রের মুখে দাঁড়াতে পারে, এটাই আমাদের শিক্ষা।’

 

এ সময় সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, ‘অল্প সময়ে জাদুঘরের কাজ এই পর্যায়ে এসেছে, এটা একটা রেকর্ড। এটা সম্ভব হয়েছে অনেক ছেলেমেয়ের অক্লান্ত পরিশ্রমে। আট মাস ধরে বিনা পারিশ্রমিকে এখানে কাজ করেছেন অনেকে। তাদের সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা জানাই।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের আরও বেশ কিছু সেকশনের কাজ আগামী কিছুদিনের মধ্যেই শেষ হবে এবং নির্বাচনের আগেই সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে। জুলাই জাদুঘর ইতিহাসের চিহ্ন বহন করে দাঁড়িয়ে থাকবে। বাংলাদেশের অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যতের রাজনীতির আকর হয়ে থাকবে এই জাদুঘর।’ ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ডিসকোর্স-শিক্ষা-গবেষণায়, শিল্প-সাহিত্য চর্চায়ও এই জাদুঘর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানান তিনি।

মধ্যরাতে ঢাকা-১৫ আসন নিয়ে জামায়াত আমিরের পোস্ট

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:২৭ এএম
মধ্যরাতে ঢাকা-১৫ আসন নিয়ে জামায়াত আমিরের পোস্ট

মধ্যরাতে ঢাকা-১৫ আসন নিয়ে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট করেন তিনি।

 

পোস্টে জামায়াত আমির লিখেন, ঢাকা-১৫ আসনে ভোটের পরিবেশ বিনষ্ট করার সকল প্রকার কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানাচ্ছি। আশা করতে চাই, শুভ বুদ্ধির উদয় হবে।

এর আগে রাজধানীর মিরপুর মডেল থানাধীন পীরেরবাগের আল মোবারক মসজিদের সামনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রচার লিফলেট বিতরণকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামীর ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সংঘটিত এ ঘটনায় প্রাথমিকভাবে অন্তত ১৬ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। ঘটনার পর কিছু সময়ের জন্য ওই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

 

মিরপুর বিভাগের পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, ঘটনার পর উভয় রাজনৈতিক দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা ঘটনাস্থলে এসে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করেন। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

জোটের ২৩ ও উন্মুক্ত ৬ আসনে নির্বাচন করবে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:২৩ এএম
জোটের ২৩ ও উন্মুক্ত ৬ আসনে নির্বাচন করবে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে ২৯ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। এর মধ্যে ১০ দলীয় নির্বাচনি জোটের ২৩ আসনে এবং উন্মুক্ত ভিত্তিতে জোটের অন্য দলের সঙ্গে ছয় আসনে নির্বাচন করবে দলটি।

 

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দলটি জানিয়েছে, ‘১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য’র সমঝোতার আলাপের ভিত্তিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিকশা প্রতীক নিয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোট ২৯ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন।

 

এর মধ্যে ২৩টি সংসদীয় আসনে ‘দশ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’র আওতায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থীরা এককভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। অন্য ছয় আসনে জোটের অন্য দলের প্রার্থীর সঙ্গে উন্মুক্ত ভিত্তিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থীরা রিকশা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেবেন।

 

এর মধ্যে সুনামগঞ্জ-৩ ও কিশোরগঞ্জ-১ আসনে খেলাফত মজলিস, মৌলভীবাজার-৪ ও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে এনসিপি, ফেনী-২ আসনে এবি পার্টি এবং ফরিদপুর-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে উন্মুক্ত ভিত্তিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন।