খুঁজুন
রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৮ চৈত্র, ১৪৩২

অপু-বুবলীর পর কি মিষ্টি জান্নাত? শাকিবের সঙ্গে পোস্ট ঘিরে চাঞ্চল্য

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ জুন, ২০২৫, ৬:১৮ পিএম
অপু-বুবলীর পর কি মিষ্টি জান্নাত? শাকিবের সঙ্গে পোস্ট ঘিরে চাঞ্চল্য

বর্তমান সময়ের আলোচিত ঢালিউড অভিনেত্রী মিষ্টি জান্নাত অভিনয়ের পাশাপাশি একজন দন্ত চিকিৎসকও। বাংলাদেশে রয়েছে তার দাঁতের ক্লিনিক। দেশের পর নিউইয়র্কেও ক্লিনিক করার পরিকল্পনা রয়েছে তার। ব্যক্তিগত কারণে অনেক দিন ক্যামেরার বাইরে মিষ্টি জান্নাত। সামনেই আসছে তার বড় বাজেটের দুটি সিনেমা। একটি ওয়েব ফিল্মের কাজও হাতে আছে তার। সেখানে একজন সাইকো কিলার হিসেবে দেখা যাবে অভিনেত্রীকে।

এদিকে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে তার পোস্ট করা ছবি। ঢালিউড কিং শাকিব খানকে নিয়ে কোথায় উড়াল দিলেন মিষ্টি জান্নাত।

একটা সময় দেশসেরা ঢালিউড অভিনেতা শাকিব খান, উপস্থাপক শাহরিয়ার

নাজিম জয় ও চিত্রনায়িকা তমা মির্জাকে ঘিরে তুমুল আলোচনায় ছিলেন মিষ্টি জান্নাত। যদিও সেই আলোচনা অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। তবে আবারও আলোচনায় অভিনেত্রী। এবার দেখা গেল শাকিব খানের সঙ্গে কোথাও উড়ে যাচ্ছেন মিষ্টি জান্নাত।

এর আগে জীবনের তৃতীয় বিয়ে নিয়ে বেশ আলোচনায় ছিলেন ঢালিউডের কিং শাকিব খান। অভিনেতার পরিবার বিয়ের জন্য পাত্রী খুঁজছে— এমন খবরও চাউর হয়েছিল সেই সময়। জানা যায়, শাকিবের জন্য খোঁজা হয়েছে এক ডাক্তার পাত্রী। সেই থেকে সামাজিক মাধ্যমে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে— অভিনেত্রী ডা. মিষ্টি জান্নাতই সেই পাত্রী! এ বিষয়টি নিয়ে তখন দুইয়ে দুইয়ে চার মেলানোর চেষ্টা করেন অনুরাগীরা। শাকিবের সঙ্গে নাম জুড়ে দেন মিষ্টি জান্নাতের।

ঢাকাই চিত্রনায়িকাদের মধ্যে তিনিই একমাত্র চিকিৎসা পেশার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। এ বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার গণমাধ্যমে কথাও বলেছেন মিষ্টি জান্নাত। তবে শাকিব খানকে নিয়ে সেভাবে কিছু স্পষ্ট করেননি অভিনেত্রী। খানিকটা রহস্য রেখে মিষ্টি জান্নাত বলেন, শাকিবের সঙ্গে তার কিছু একটা হলেও হতে পারে, তা সময়ই বলে দেবে।

এতসব সমালোচনার মাঝে এবার নতুন করে পালে হাওয়া দিলেন মিষ্টি জান্নাত। সম্প্রতি শাকিব খানের সঙ্গে খানিকটা একান্ত মুহূর্তেই দেখা মিলল অভিনেত্রীকে। গতকাল রোববার (১ জুন) মধ্যরাতে সামাজিক মাধ্যমে তিনটি ছবি প্রকাশ করেন মিষ্টি জান্নাত। সেখানে দেখা যায়, কোনো একটি ফ্লাইটে একসঙ্গে কোথাও যাচ্ছেন তারা। সেই পোস্টের ক্যাপশনে অভিনেত্রী লিখেছেন— ‘লাভ লাভ’। সঙ্গে জুড়ে দেন ভালোবাসার ইমোজি।

সামাজিক মাধ্যমে এসব ছবি প্রকাশের সঙ্গেই মন্তব্যের ঘরে চারে চারে ষোলো মেলাতে শুরু করেন তাদের ভক্ত-অনুরাগীরা। তাদের অধিকাংশই মন্তব্যের ঘরে শাকিবের দুই সাবেক অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস ও শবনম বুবলীর সতীনের তালিকায় নাম জুড়ে দেন মিষ্টি জান্নাতকে।

তবে এ বিষয়টি ছাড়াও অনুরাগীদের অনেকে ভাবছেন, সহকর্মী হিসেবে একসঙ্গে কোথাও যেতেই পারেন তারা। কিন্তু কোথায় যাচ্ছেন, তার কোনো তথ্য ছিল না পোস্টে। আর সেই উত্তরের অপেক্ষায় এখন তাদের ভক্ত-অনুরাগীরা। এখন দেখার বিষয়— এ নিয়ে কী ব্যাখ্যা দেন দুই তারকা।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে ‘লাভ স্টেশন’ সিনেমার মাধ্যমে শুরু হয় মিষ্টি জান্নাতের ক্যারিয়ার। এরপর তিনি নিয়মিত কাজ করেছেন সিনেমায়। অভিনেত্রী পরিচয়ের বাইরে মিষ্টি জান্নাত একজন দন্ত্য চিকিৎসক হিসাবেও দক্ষ। আর চিকিৎসক হওয়ার কারণেই মিষ্টি ও শাকিবকে নিয়ে এত এত সমালোচনা।

 

 

বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনে প্রধান উপদেষ্টা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩২ এএম
বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনে প্রধান উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস গণভবনে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে তিনি জাদুঘরে পৌঁছান এবং জাদুঘরে থাকা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পেছনের ইতিহাস ও শেখ হাসিনার ১৬ বছরের দুঃশাসনের চিত্রগুলো ঘুরে দেখেন প্রধান উপদেষ্টা।

 

এ সময় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উপদেষ্টাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার এসডিজি সমন্বয়ক লামিয়া মোর্শেদ, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম।

 

গুমের শিকার পরিবারেরগুলোর সংগঠন মায়ের ডাকের সমন্বয়ক সানজিদা তুলি ও গুম থেকে ফেরত ভিকটিম ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান, জুলাই অভ্যুত্থানে সম্মুখসারীতে নেতৃত্ব দেয়া ছাত্রনেতা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও হাসনাত আব্দুল্লাহ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

 

সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর নেতৃত্বে জাদুঘরের কিউরেটর তানজীম ওয়াহাব, মেরিনা তাবাসসুম খান, জুলাই জাদুঘরের গবেষকসহ দায়িত্বশীল অন্যান্যরা আগতদের পুরো জাদুঘর ঘুরিয়ে দেখান। জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে অভ্যুত্থানের ছবি, বিভিন্ন স্মৃতিচিহ্ন, শহিদদের পোশাক, চিঠিপত্র, গুরুত্বপূর্ণ দলিল, সে সময়কার পত্রিকার কাটিং, অডিও-ভিডিওসহ নানা উপকরণ সংরক্ষণ করা হয়েছে। এছাড়া, শেখ হাসিনার পালিয়ে যাওয়ার দৃশ্যও সংরক্ষিত রয়েছে সেখানে।

 

জাদুঘরে পরিদর্শনে ড. ইউনূস ১৫ মিনিটের একটি প্রামাণ্যচিত্র দেখেন, যেখানে ফ্যাসিস্ট শাসনামলে গুম, রাষ্ট্রীয়ভাবে পরিচালিত দমন-পীড়ন, বিরোধীদের ওপর হামলা এবং চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত গণহত্যার চিত্র তুলে ধরা হয়। প্রামাণ্যচিত্রটি নির্মাণ করেছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

 

 

পরিদর্শনকালে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এই জাদুঘর জুলাই শহিদদের রক্ত তাজা থাকতেই করা সম্ভব হয়েছে, এটা গোটা পৃথিবীর এক নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত। আমরা চাইনা ভবিষ্যতে কোথাও যেন আর এমন জাদুঘর তৈরির প্রয়োজন হোক। যদি আমাদের জাতি কখনো কোনো কারণে দিশেহারা হয় তবে এই জাদুঘরে পথ খুঁজে পাবে।’

 

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘দেশের প্রতিটি নাগরিকের উচিত হবে এখানে এসে একটি দিন কাটানো, শিক্ষার্থীরা দল বেঁধে এই জাদুঘরে আসবেন। এই জাদুঘরে একটা দিন কাটালে মানুষ জানতে পারবে কী নৃশংসতার মধ্য দিয়ে এ জাতিকে যেতে হয়েছে। এখানে যে আয়নাঘরগুলো তৈরি হয়েছে সেখানে কিছু সময়, কয়েক ঘণ্টা অথবা একটা দিন কেউ যদি থাকতে চায় সে যেন থাকতে পারে।’

 

আরও পড়ুন: বিপুল অর্থ খরচ করে স্বপ্নভঙ্গ, নারীসহ ৩৬ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠালো যুক্তরাষ্ট্র

 

তিনি আরও বলেন, ‘আয়নাঘরে বসে পরিদর্শনকারীরা উপলব্ধি করতে পারে কী নৃশংসতার মধ্যে বন্দিরা ছিল! এ ধরনের নৃশংস ঘটনা না হওয়ার পক্ষে কীভাবে আমরা সবাই এক থাকতে পারি সেটা মনের মধ্যে আনতে হবে। এই একটা মতে আমরা সবাই এক থাকব যে এই ধরনের নৃশংস দিনগুলোতে এ জাতি আর ফিরে যাবে না।’

 

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে তরুণ ছাত্র ও জনতার বীরত্বও তুলে ধরেন ড. মোহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, ‘নৃশংস একটা কাণ্ড হচ্ছিল। তরুণরা, ছাত্ররা এটার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে, প্রতিহত করেছে। তাদের কোনো অস্ত্রশস্ত্র ছিল না, কিছু ছিল না। সাধারণ মানুষও যে এমন নির্ভয়ে, সাহসিকতার সঙ্গে অস্ত্রের মুখে দাঁড়াতে পারে, এটাই আমাদের শিক্ষা।’

 

এ সময় সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, ‘অল্প সময়ে জাদুঘরের কাজ এই পর্যায়ে এসেছে, এটা একটা রেকর্ড। এটা সম্ভব হয়েছে অনেক ছেলেমেয়ের অক্লান্ত পরিশ্রমে। আট মাস ধরে বিনা পারিশ্রমিকে এখানে কাজ করেছেন অনেকে। তাদের সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা জানাই।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের আরও বেশ কিছু সেকশনের কাজ আগামী কিছুদিনের মধ্যেই শেষ হবে এবং নির্বাচনের আগেই সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে। জুলাই জাদুঘর ইতিহাসের চিহ্ন বহন করে দাঁড়িয়ে থাকবে। বাংলাদেশের অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যতের রাজনীতির আকর হয়ে থাকবে এই জাদুঘর।’ ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ডিসকোর্স-শিক্ষা-গবেষণায়, শিল্প-সাহিত্য চর্চায়ও এই জাদুঘর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানান তিনি।

মধ্যরাতে ঢাকা-১৫ আসন নিয়ে জামায়াত আমিরের পোস্ট

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:২৭ এএম
মধ্যরাতে ঢাকা-১৫ আসন নিয়ে জামায়াত আমিরের পোস্ট

মধ্যরাতে ঢাকা-১৫ আসন নিয়ে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট করেন তিনি।

 

পোস্টে জামায়াত আমির লিখেন, ঢাকা-১৫ আসনে ভোটের পরিবেশ বিনষ্ট করার সকল প্রকার কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানাচ্ছি। আশা করতে চাই, শুভ বুদ্ধির উদয় হবে।

এর আগে রাজধানীর মিরপুর মডেল থানাধীন পীরেরবাগের আল মোবারক মসজিদের সামনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রচার লিফলেট বিতরণকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামীর ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সংঘটিত এ ঘটনায় প্রাথমিকভাবে অন্তত ১৬ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। ঘটনার পর কিছু সময়ের জন্য ওই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

 

মিরপুর বিভাগের পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, ঘটনার পর উভয় রাজনৈতিক দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা ঘটনাস্থলে এসে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করেন। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

জোটের ২৩ ও উন্মুক্ত ৬ আসনে নির্বাচন করবে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:২৩ এএম
জোটের ২৩ ও উন্মুক্ত ৬ আসনে নির্বাচন করবে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে ২৯ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। এর মধ্যে ১০ দলীয় নির্বাচনি জোটের ২৩ আসনে এবং উন্মুক্ত ভিত্তিতে জোটের অন্য দলের সঙ্গে ছয় আসনে নির্বাচন করবে দলটি।

 

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দলটি জানিয়েছে, ‘১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য’র সমঝোতার আলাপের ভিত্তিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিকশা প্রতীক নিয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোট ২৯ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন।

 

এর মধ্যে ২৩টি সংসদীয় আসনে ‘দশ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’র আওতায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থীরা এককভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। অন্য ছয় আসনে জোটের অন্য দলের প্রার্থীর সঙ্গে উন্মুক্ত ভিত্তিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থীরা রিকশা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেবেন।

 

এর মধ্যে সুনামগঞ্জ-৩ ও কিশোরগঞ্জ-১ আসনে খেলাফত মজলিস, মৌলভীবাজার-৪ ও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে এনসিপি, ফেনী-২ আসনে এবি পার্টি এবং ফরিদপুর-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে উন্মুক্ত ভিত্তিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন।