খুঁজুন
সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন, ১৪৩২

মামদানির নিউ ইয়র্ক পরিকল্পনায় যেভাবে বাধ সাধতে পারেন ট্রাম্প

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৫, ১:২৫ পিএম
মামদানির নিউ ইয়র্ক পরিকল্পনায় যেভাবে বাধ সাধতে পারেন ট্রাম্প

নিউ ইয়র্কের নতুন মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পরই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন জোহরান মামদানি।

 

বিজয় ভাষণে তিনি বলেছেন, “ডনাল্ড ট্রাম্প, আমি জানি আপনি দেখছেন। আপনার জন্য আমার তিনটা শব্দ আছে: আওয়াজটা বাড়িয়ে দিন।”

 

অল্প সময় পরই ট্রাম্প নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ প্রতিক্রিয়া দেন, “… তাহলে শুরু হলো!”

 

বিবিসি জানিয়েছে, ট্রাম্প ৩৪ বছর বয়সী মামদানিকে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ‘কমিউনিস্ট’ ভবিষ্যৎ হিসেবে তুলে ধরে তার তীব্র সমালোচনা করেছেন।

 

নির্বাচনের আগে তিনি মামদানির প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, সাবেক গভর্নর অ্যান্ড্রু কুওমোকে সমর্থন জানিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, নিউ ইয়র্কে মামদানি জয়ী হলে তিনি শহরটির ফেডারেল তহবিল বন্ধ করে দেবেন। পরের দিন সকালে মামদানি জয়ী হওয়ার পর তিনি সতর্ক করে বলেন, লোকজন নিউ ইয়র্ক ছেড়ে ‘পালিয়ে’ যাবে।

 

ফেডারেল তহবিল ও মামদানির চ্যালেঞ্জ

প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে ট্রাম্প ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রিত শহরগুলোর বিরুদ্ধে একের পর এক পদক্ষেপে চাপ বাড়িয়েছেন। ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন, অভিবাসীদের বিরুদ্ধে দমন অভিযান এবং তহবিল স্থগিত রেখে এসব করেছেন তিনি।

সরকারি বাজেট বন্ধ (শাট ডাউন) হয়ে যাওয়ার পর তিনি নিউ ইয়র্কসহ বিভিন্ন শহরের অবকাঠামো প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ ১৮ বিলিয়ন ডলার স্থগিত করেছেন।

 

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প আরও অর্থ কেটে দিলে মামদানির ঘোষিত সামাজিক নীতিগুলো যেমন, বাড়ি ভাড়া স্থগিত, বিনামূল্যের গণপরিবহন, সার্বজনীন শিশুসেবা ও সরকারি মুদি দোকান এসব বাস্তবায়নে বাধা পড়বে।

প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের অধ্যাপক জুলিয়ান জেলিজার বলেন, “ট্রাম্পের আক্রমণ ঠেকাতেই নতুন মেয়রকে অনেক সময় ব্যয় করতে হবে। এটি শহরের জন্য একটি সমস্যা হবে এবং নির্বাচিত মেয়রের জন্য মনোযোগ ধরে রাখাও একটি সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ হবে।”

বিবিসি জানিয়েছে, এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য করা তাদের অনুরোধে মামদানি সাড়া দেননি।

 

আইনি জটিলতা ও ‘ট্রাম্প-প্রুফ’ কৌশল

 

ফেডারেল বরাদ্দ কমলে শহরের বাধ্যতামূলক সেবা, বাসস্থান, শিক্ষা, শিশু কল্যাণ বা দুর্যোগ ত্রাণ বিপর্যস্ত হতে পারে।

 

নিউইয়র্ক আইনি বাধ্যবাধকতায় এসব সেবা চালু রাখতেই হবে, তাই বাজেট ঘাটতি হলে অন্য খাত ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে ধারণা বিশ্লেষকদের।

 

ট্রাম্প এসব তহবিল আটকে রাখলে আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারেন, তবে এতে অর্থপ্রবাহ বিলম্বিত হবে, বলেছেন হার্ভার্ডের জননীতি বিশেষজ্ঞ জাস্টিন ডি বেনেডিকটিস-কেসনার।

এদিকে ‘ট্রাম্প-প্রুফিং নিউইয়র্ক’ শিরোনামে মামদানির দপ্তর জানিয়েছে, ফেডারেল হস্তক্ষেপ মোকাবিলায় শহরের আইনি বিভাগে অতিরিক্ত ২০০ আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হবে।

 

ট্রাম্প আরও ফেডারেল তহবিল কাটছাঁট করে মামদানির পরিকল্পনা আরও ছিদ্র তৈরি করতে পারেন। গত বছর যা ছিল প্রায় ৮৫০ কোটি ডলার, যা নিউ ইয়র্কের মোট বাজেটের ৭ শতাংশ।

 

মামদানি আরও জানিয়েছেন, নিউ ইয়র্কের ধনীদের ওপর কর বাড়িয়ে তিনি ১০ বিলিয়ন ডলার আয় করতে চান। কিন্তু এর জন্য রাজ্য গভর্নরের অনুমোদন প্রয়োজন।

 

নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাট গভর্নর ক্যাথি হোকুল এখন পর্যন্ত মামদানির কর পরিকল্পনায় সমর্থন দিতে দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে আছেন। হোকুল আগামী বছর কঠিন পুনর্নির্বাচনের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন। রিপাবলিকান দল থেকে ট্রাম্পপন্থী এলিস স্টেফানিক গভর্নর পদে লড়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন।

 

ন্যাশনাল গার্ড ও অভিবাসন নীতি

 

ট্রাম্প এর আগে ডেমোক্র্যাট মেয়রদের নেতৃত্বাধীন লস অ্যাঞ্জেলেস ও ওয়াশিংটন ডিসিতে ফেডারেল বাহিনী মোতায়েন করেছেন আর অনেকের আশঙ্কা, সেই সিদ্ধান্ত নিউইয়র্কেও প্রয়োগ হতে পারে। মামদানি বলেছেন, প্রয়োজনে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হবেন।

 

অভিবাসন ইস্যুতেও দুই নেতার অবস্থান বিপরীত। ট্রাম্প প্রশাসন যেখানে অভিবাসনবিরোধী ‘আইস’ অভিযান বাড়িয়েছে, সেখানে মামদানি ঘোষণা দিয়েছেন, নিউ ইয়র্ক অভিবাসীদের শহরই থাকবে।

 

“নিউ ইয়র্ক অভিবাসীদের দ্বারা নির্মিত, অভিবাসীদের দিয়ে চালিত এবং আজ রাত থেকে একজন অভিবাসীর নেতৃত্বাধীন একটি শহর,” বলেছেন তিনি।

 

মামদানি তার সামনে থাকা চ্যালেঞ্জের কথা স্বীকার করলেও ইতোমধ্যেই তিনি লড়াই করার প্রত্যয় জানিয়েছেন। বলেছেন, “তাই আমার কথা শুনুন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, যখন আমি এটি বলি: আমাদের কারও কাছে যেতে হলে আপনাকে আমাদের সবার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।”

 

রাজনৈতিক লড়াইয়ের নতুন অধ্যায়

 

মামদানি আগামী জানুয়ারিতে দায়িত্ব নেবেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, দায়িত্ব নেওয়ার আগেই তাকে কৌশল ঠিক করতে হবে, কোথায় ট্রাম্পের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে যাবেন, আর কোথায় আপস করবেন।

 

কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল সায়েন্সের অধ্যাপক বব শ্যাপিরো বলছেন, “মামদানি বুঝে চলবেন, ট্রাম্পের সঙ্গে সংঘাত তখনই করবেন, যখন সেটি রাজনৈতিকভাবে লাভজনক হবে।”

বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনে প্রধান উপদেষ্টা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩২ এএম
বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনে প্রধান উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস গণভবনে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে তিনি জাদুঘরে পৌঁছান এবং জাদুঘরে থাকা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পেছনের ইতিহাস ও শেখ হাসিনার ১৬ বছরের দুঃশাসনের চিত্রগুলো ঘুরে দেখেন প্রধান উপদেষ্টা।

 

এ সময় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উপদেষ্টাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার এসডিজি সমন্বয়ক লামিয়া মোর্শেদ, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম।

 

গুমের শিকার পরিবারেরগুলোর সংগঠন মায়ের ডাকের সমন্বয়ক সানজিদা তুলি ও গুম থেকে ফেরত ভিকটিম ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান, জুলাই অভ্যুত্থানে সম্মুখসারীতে নেতৃত্ব দেয়া ছাত্রনেতা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও হাসনাত আব্দুল্লাহ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

 

সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর নেতৃত্বে জাদুঘরের কিউরেটর তানজীম ওয়াহাব, মেরিনা তাবাসসুম খান, জুলাই জাদুঘরের গবেষকসহ দায়িত্বশীল অন্যান্যরা আগতদের পুরো জাদুঘর ঘুরিয়ে দেখান। জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে অভ্যুত্থানের ছবি, বিভিন্ন স্মৃতিচিহ্ন, শহিদদের পোশাক, চিঠিপত্র, গুরুত্বপূর্ণ দলিল, সে সময়কার পত্রিকার কাটিং, অডিও-ভিডিওসহ নানা উপকরণ সংরক্ষণ করা হয়েছে। এছাড়া, শেখ হাসিনার পালিয়ে যাওয়ার দৃশ্যও সংরক্ষিত রয়েছে সেখানে।

 

জাদুঘরে পরিদর্শনে ড. ইউনূস ১৫ মিনিটের একটি প্রামাণ্যচিত্র দেখেন, যেখানে ফ্যাসিস্ট শাসনামলে গুম, রাষ্ট্রীয়ভাবে পরিচালিত দমন-পীড়ন, বিরোধীদের ওপর হামলা এবং চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত গণহত্যার চিত্র তুলে ধরা হয়। প্রামাণ্যচিত্রটি নির্মাণ করেছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

 

 

পরিদর্শনকালে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এই জাদুঘর জুলাই শহিদদের রক্ত তাজা থাকতেই করা সম্ভব হয়েছে, এটা গোটা পৃথিবীর এক নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত। আমরা চাইনা ভবিষ্যতে কোথাও যেন আর এমন জাদুঘর তৈরির প্রয়োজন হোক। যদি আমাদের জাতি কখনো কোনো কারণে দিশেহারা হয় তবে এই জাদুঘরে পথ খুঁজে পাবে।’

 

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘দেশের প্রতিটি নাগরিকের উচিত হবে এখানে এসে একটি দিন কাটানো, শিক্ষার্থীরা দল বেঁধে এই জাদুঘরে আসবেন। এই জাদুঘরে একটা দিন কাটালে মানুষ জানতে পারবে কী নৃশংসতার মধ্য দিয়ে এ জাতিকে যেতে হয়েছে। এখানে যে আয়নাঘরগুলো তৈরি হয়েছে সেখানে কিছু সময়, কয়েক ঘণ্টা অথবা একটা দিন কেউ যদি থাকতে চায় সে যেন থাকতে পারে।’

 

আরও পড়ুন: বিপুল অর্থ খরচ করে স্বপ্নভঙ্গ, নারীসহ ৩৬ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠালো যুক্তরাষ্ট্র

 

তিনি আরও বলেন, ‘আয়নাঘরে বসে পরিদর্শনকারীরা উপলব্ধি করতে পারে কী নৃশংসতার মধ্যে বন্দিরা ছিল! এ ধরনের নৃশংস ঘটনা না হওয়ার পক্ষে কীভাবে আমরা সবাই এক থাকতে পারি সেটা মনের মধ্যে আনতে হবে। এই একটা মতে আমরা সবাই এক থাকব যে এই ধরনের নৃশংস দিনগুলোতে এ জাতি আর ফিরে যাবে না।’

 

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে তরুণ ছাত্র ও জনতার বীরত্বও তুলে ধরেন ড. মোহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, ‘নৃশংস একটা কাণ্ড হচ্ছিল। তরুণরা, ছাত্ররা এটার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে, প্রতিহত করেছে। তাদের কোনো অস্ত্রশস্ত্র ছিল না, কিছু ছিল না। সাধারণ মানুষও যে এমন নির্ভয়ে, সাহসিকতার সঙ্গে অস্ত্রের মুখে দাঁড়াতে পারে, এটাই আমাদের শিক্ষা।’

 

এ সময় সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, ‘অল্প সময়ে জাদুঘরের কাজ এই পর্যায়ে এসেছে, এটা একটা রেকর্ড। এটা সম্ভব হয়েছে অনেক ছেলেমেয়ের অক্লান্ত পরিশ্রমে। আট মাস ধরে বিনা পারিশ্রমিকে এখানে কাজ করেছেন অনেকে। তাদের সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা জানাই।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের আরও বেশ কিছু সেকশনের কাজ আগামী কিছুদিনের মধ্যেই শেষ হবে এবং নির্বাচনের আগেই সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে। জুলাই জাদুঘর ইতিহাসের চিহ্ন বহন করে দাঁড়িয়ে থাকবে। বাংলাদেশের অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যতের রাজনীতির আকর হয়ে থাকবে এই জাদুঘর।’ ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ডিসকোর্স-শিক্ষা-গবেষণায়, শিল্প-সাহিত্য চর্চায়ও এই জাদুঘর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানান তিনি।

মধ্যরাতে ঢাকা-১৫ আসন নিয়ে জামায়াত আমিরের পোস্ট

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:২৭ এএম
মধ্যরাতে ঢাকা-১৫ আসন নিয়ে জামায়াত আমিরের পোস্ট

মধ্যরাতে ঢাকা-১৫ আসন নিয়ে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট করেন তিনি।

 

পোস্টে জামায়াত আমির লিখেন, ঢাকা-১৫ আসনে ভোটের পরিবেশ বিনষ্ট করার সকল প্রকার কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানাচ্ছি। আশা করতে চাই, শুভ বুদ্ধির উদয় হবে।

এর আগে রাজধানীর মিরপুর মডেল থানাধীন পীরেরবাগের আল মোবারক মসজিদের সামনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রচার লিফলেট বিতরণকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামীর ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সংঘটিত এ ঘটনায় প্রাথমিকভাবে অন্তত ১৬ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। ঘটনার পর কিছু সময়ের জন্য ওই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

 

মিরপুর বিভাগের পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, ঘটনার পর উভয় রাজনৈতিক দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা ঘটনাস্থলে এসে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করেন। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

জোটের ২৩ ও উন্মুক্ত ৬ আসনে নির্বাচন করবে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:২৩ এএম
জোটের ২৩ ও উন্মুক্ত ৬ আসনে নির্বাচন করবে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে ২৯ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। এর মধ্যে ১০ দলীয় নির্বাচনি জোটের ২৩ আসনে এবং উন্মুক্ত ভিত্তিতে জোটের অন্য দলের সঙ্গে ছয় আসনে নির্বাচন করবে দলটি।

 

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দলটি জানিয়েছে, ‘১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য’র সমঝোতার আলাপের ভিত্তিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিকশা প্রতীক নিয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোট ২৯ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন।

 

এর মধ্যে ২৩টি সংসদীয় আসনে ‘দশ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’র আওতায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থীরা এককভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। অন্য ছয় আসনে জোটের অন্য দলের প্রার্থীর সঙ্গে উন্মুক্ত ভিত্তিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থীরা রিকশা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেবেন।

 

এর মধ্যে সুনামগঞ্জ-৩ ও কিশোরগঞ্জ-১ আসনে খেলাফত মজলিস, মৌলভীবাজার-৪ ও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে এনসিপি, ফেনী-২ আসনে এবি পার্টি এবং ফরিদপুর-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে উন্মুক্ত ভিত্তিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন।